রহিম ও রাশেদ দুই ভাই। রহিম তার জমিতে সারাবছর বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলিয়ে লাভবান হন। কিন্তু রাশেদ তার জমি থেকে ভালো ফলন পান না। রহিম রাশেদকে মাটির বুনট দেখে ফসল নির্বাচনের পরমার্শ দেন।
উদ্দীপকে রহিম রাশেদকে মাটির বুনট দেখে ফসল নির্বাচনের পরামর্শ দেন।
মাটির বুনট বলতে মাটিতে বালিকণা, পলিকণা ও কর্দমকণার পরিমাণকে বোঝায়। মাটির বুনট শ্রেণি থেকে মাটিতে উপস্থিত পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ ও প্রাপ্যতা, পানি ধারণ ও আয়ন বিনিময় ক্ষমতা, উর্বরতা সম্পর্কে জানা যায়। কৃষিকাজের সুবিধার্থে মাটির বুনটকে বেলে, এঁটেল ও দোঁআশ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। মাটির বুনট পরিবর্তনের সাথে সাথে ফসলের ধরনের যে তারতম্য হয় তা নিচের উদাহরণগুলোর মাধ্যমে জানা যায়-
i. বেলে বুনটের মাটি কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নয়। তবে বালির কণা সূক্ষ্ম হলে এবং মাটিতে জৈব পদার্থ প্রয়োগ করলে চিনা, কাউন, তরমুজ, আলু এসব ফসল চাষ করা যায়।
ii. মাটির বুনট বেলে দোআঁশ প্রকৃতির হলে সেখানে আলু, মুলা, তামাক, মরিচ, টমেটো এসব ফসল ভালো জন্মে।
iii. মাটির বুনট পলি দোআঁশ প্রকৃতির হলে ধান, পাট, গম, আম, আলু ও শাকসবজি ভালো জন্মে।
iv. এঁটেল দোআঁশ বুনটের মাটিতে ধান, তুলা, গম, ডাল, তেল ফসল ভালো জন্মে।
V. এঁটেল বুনটের মাটিতে ধান, পাট, আখ ও শাকসবজি ভালো জন্মে।
উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায়, মাটির বুনট পরিবর্তনের সাথে সাথে ফসলেরও পরিবর্তন হয়। কাজেই মাটির বুনট দেখে ফসল নির্বাচন করার পরামর্শটি যথার্থ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?